আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ – আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা. খারেজিদের কিছু শর্তে কুফায় থাকতে দিয়েছিলেন। যেগুলো হলো, ১. অন্যায়ভাবে কারো রক্ত ঝরাবে না। ২. সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করবে না। ৩. কোনো মুসাফিরের পথ আটকাবে না। পড়ুন: খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা আর যদি খারেজিরা এসব শর্ত মান্য না করে,
ঈদ উৎসবের গুরুত্ব
ঈদ উৎসবের গুরুত্ব – পোলাপান নাকি ঈদের আনন্দ পায় না। এটা বড়ই হাস্যকর। হারাম অনুষ্ঠানে আনন্দ উল্লাস করে এলাকাকে মাথায় উঠায়। অথচ হালাল ঈদ উৎসবে ঘুমিয়ে কাঁটিয়ে আমার বলে, “সারাদিন ঘুমিয়ে কাঁটলো” “ঈদের বয়স নাই” “ঈদের মজা নাই” ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো হলো অকৃতজ্ঞতা স্বরুপ কথাবার্তা। ইন্টারনেট ও মোবাইল আমাদের জীবনকে
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা ? – কারা দ্যার্থহীনভাবে বলতে পারে, “ফিলিস্তিন আমাদের। অন্যরা দখলদার। এই ভূমি তাদের নয়”। যেহেতু প্রধান তিনটি ধর্মের নিকটই ফিলিস্তিনভূমি মর্যাদাপূর্ণ, তাই আজকে আমরা নিরপেক্ষভাবে এই বিষয়টা আলোকপাত করবো ইনশাল্লাহ। ইহুদিদের নিকট ফিলিস্তিন ভূমি পবিত্র হওয়ার কারণ হলো, তাদের মতে ফিলিস্তিন ছিল রাজা ডেভিডের তথা নবী
মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী
মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী খান – মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত থেকেও অনেক আগে মাঝেমধ্যে নোমান আলী খান এর লেকচার শুনতাম। শুরুর দিকে উনার দাঈ হিসেবে আলোচনাগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। পরিচিত অনেকের পছন্দের ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। তিনিও মডারেট চিন্তাধারা থেকে মুক্ত নন। একটা আয়াত আমার খুব বেশি মনে পড়ছে। সূরা তওবার ৩
ক্রিসমাস ডে কি
প্রতিবছরই ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ আসলে খৃস্টানরা বড়দিন বা ঈসা আ. এর জন্মদিন বলে উদযাপন করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ক্রিসমাস ডে কি বা বড়দিন আসলে কি? কোথা থেকেই বা এটির সূচনা ঘটলো? মরিয়মের পুত্র হযরত ঈসা আ. বা খৃস্টানদের নিকট যিনি যিশু হিসেবে পরিচিত, তিনি ছিলেন মহান আল্লাহর একজন মনোনীত
শীতের প্রকোপ বাড়ছে ফিলিস্তিনে
পৃথিবীতে আস্তে আস্তে শীতের প্রকোপ বাড়ছে। এর সাথে বাড়ছে ফিলিস্তিনে শীত। বাংলাদেশে এই নভেম্বর মাস থেকে একটু একটু করে শীত পড়া শুরু হয়। পৃথিবীর কিছু কিছু অঞ্চলে এখন অনেক বেশিই শীত চলছে। এর মধ্যে আবার কিছু কিছু এলাকায় ও দেশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে প্রচুর। এতে শীতে সাধারণ মানুষ অনেক বেশি কষ্ট
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
শাহবাগ বাইনারি
শাপলা-শাহবাগ বাইনারি বাংলাদেশে বহু আগ থেকেই সমস্যা। এটির সূচনা ১৩ সালেই নয়। ১৭৫৭ সাল থেকেই। ইংরেজরা বাংলা অঞ্চল দখল করে ১৭৫৭ সালে। এই অঞ্চলের মানুষ ইংরেজদের মেনে নেয় নি। তাই বলে কি ইংরেজরা ছেড়ে দিয়েছিল জনগণকে? না। তারা নির্যাতন চালিয়েছে। নিপীড়ন করেছে। মানুষের জায়গা, সম্পদ, পরিবার কেড়ে নিয়েছে। বাংলার উৎপাদনকে তারা ধ্বংস করেছে। এই সময়ে ইংরেজদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। ‘দেশীয় বিরোধী শক্তি’। এটিকে দমানোর জন্য ইংরেজরা তাদের
ভয়াবহ ফিতনা এবং মুসলমানদের করণীয়
ফিতনা হলো পরীক্ষা। চলাচলের রাস্তায় উৎ পেতে থাকা ফাঁদ। পৃথিবীতে রয়েছে ভয়াবহ ফিতনা এবং বিপদের ছড়াছড়ি। সম্পদের ফিতনা, অভাবের ফিতনা, নাম না জানা কত ফিতনা আছে, তার কোনো হিসাব নেই। ফেতনার এই মূহুর্তে মুসলমানদের করণীয় কি, সেটি একজন মুসলমানের জানা উচিৎ। নবীজি সা. পৃথিবীর এত লাখো লাখো ফিতনার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফিতনা বলে আখ্যা দিয়েছেন নারীঘটিত ফিতনাকে। সহীহ বুখারীর ৫০৯৬ নং হাদীসে নবীজি সা. ইরশাদ করেন, হাদীসটি হযরত উসামা ইবনে
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর মুনাজারার পরে খারেজিদের মধ্য হতে প্রায় ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মতো খারেজি তাদের দলত্যাগ করে আলী রা. এর নিকট চলে আসে। এরপর হযরত আলী রা. নিজেই খারেজিদের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। ফলে তারা কুফা শহরে ফিরে আসে। কিন্তু গোঁড়ামির কারণে তারা বেশি সময় সেখানে থাকতে পারে নি। কারণ, তারা ভেবে নিয়েছিল, আলী রা. সালিশের ঘটনা থেকে
ট্রান্সজেন্ডার কি
ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়, রুপান্তরকামীকে। অর্থাৎ মানুষের জন্মগত জেন্ডার (পুরুষ বা মহিলা) পরিচয়কে বাদ দিয়ে নিজের মতো জেন্ডার নির্ধারণ করা। একজন ব্যক্তি জন্মগতভাবে হয় পুরুষ হবে অথবা মহিলা হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম তথা হিজড়াও দেখা যায়। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া কখনোই এক জিনিষ নয়। একজন পুরুষ যদি নিজেকে মহিলা দাবী করে, তাহলে সে ট্রান্সজেন্ডার (মহিলা) হিসেবে পরিচিত। একজন মেয়ে নিজেকে পুরুষ দাবী করলে, সেও ট্রান্সজেন্ডার (পুরুষ) হিসেবে পরিচিত হবে। এমন
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার – সমাজের অন্যতম একটি মারাত্মক ব্যাধি হলো, নিজেকে নিয়ে নিজে সন্দেহে পতিত হওয়া। বিশ্বে সমকামিতার আড়ালে যেই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেটির নামে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। একজন পুরুষ কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র অগোছালো কিছু চিন্তার কারণে নিজেকে মেয়ে বলে দাবী করছে। আবার একজন নারী কোনো প্রমাণ ছাড়াই নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ দুইভাগে বিভক্ত। ১. পুরুষ ২. নারী। পুরুষ সন্তান জন্ম
শাম সম্পর্কে হাদিস
শাম সম্পর্কে হাদিস সমূহ – শাম অঞ্চল। হাদীসের ভাষায় বিলাদুশ শাম। বর্তমান সিরিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন, লেবানন, সাইপ্রাস ও তুরষ্কের কিছু অঞ্চল (হাতাই প্রদেশ ও আরো কিছু এলাকা) নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল। শামের ফজিলত এবং গঠন-প্রকৃতি নিয়ে নবীজি হাদীসে অসংখ্যবার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আখিরুজ্জামানের সাথে ওৎপ্রতভাবে জড়িত এই ভূমি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় শাম আল্লাহর ভূমির মধ্যে উত্তম ভূমি (সুনানে আবু দাউদ। হাদীস নং ২৪৮৩) হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর
আল ওয়ালা ওয়াল বারা কাকে বলে
কুরআনী নির্দেশনা অনুযায়ী আল্লাহ তা’আলা যাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে বলেছেন, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা আর যাদের সাথে শত্রুতা রাখতে বলেছেন, তাদের সাথে শত্রুতা রাখা। এটাকেই ইসলামী শরীয়াহর পরিভাষায় আল ওয়ালা ওয়াল বারা (الولاء والبراء) বলা হয়। ইসলামে শত্রুতা রাখতে বলা হয়েছে কাফেরদের সাথে, মুরতাদদের সাথে, মূর্তিপূজকদের সাথে, ইহুদি-খৃস্টানদের সাথে। আর বন্ধুত্ব রাখতে বলা হয়েছে মুমিনদের সাথে, মুজাহিদদের সাথে। ইসলামে নবীজি সা. এর ইন্তিকালের পর থেকেই অনেকেই অনেকভাবে বিকৃত করতে চেয়েছে।
আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন
আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন – পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর সময়টা কেমন ছিল, তা জানতে ইচ্ছে হয় আমাদের। বিজ্ঞান আমাদের এই জানতে চাওয়ার কামনা পূরণ করতে বিভিন্ন থিউরি উল্লেখ করে থাকে। একটা কথা চিরসত্য যে, বিজ্ঞান সদা পরিবর্তনশীল। তাই বিজ্ঞানের কোনো কথা কুরআনের বিপরীত হলে একজন মুসলিম কিংবা জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে কুরআনের কথাকেই মূল হিসেবে বিবেচনা করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদীসের বিভিন্ন বর্ণনার দ্বারা আমরা আল্লাহর
জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত
প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র কুরআনে জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত প্রায় ৫০০ এর অধিক। তবে এই সব আয়াতে ‘জিহাদ’ শব্দ দ্বারা কিংবা জিহাদের ব্যাপারে আলোচনা আসে নি। কোথাও ‘কিতাল’ শব্দ দ্বারাও আলোচনা করা হয়েছে। কোথাও জিহাদের মাসআলা-মাসায়েল নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সরাসরি ‘জিহাদ’ শব্দটি কুরআনে এসেছে প্রায় ২৭ বার। এখানে জিহাদ সম্পর্কে বেশ কিছু আয়াত একত্রিত করা হলো ফজিলত হিসেবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জিহাদের ফজিলত বুঝে নিজেদেরকে প্রস্তুত করার তাওফিক দান
যেই দশটি আমল করলে ফেরেশতারা দোয়া করে
যেই দশটি আমল করলে ফেরেশতারা দোয়া করে – প্রতিনিয়্যত আমরা বিভিন্ন আমল করি। আমাদের আমলের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। ইবাদাতের ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলা আমাদের বেশ কিছু গিফট দিয়েছেন। এসব গিফটগুলোর মধ্যে একটি হলো অন্যের মাধ্যমে দোয়া করানো। এর মানে অপর কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে দোয়া করানো নয়। স্বয়ং ফেরেশতাদের দিয়ে দোয়া করানো। ফেরেশতারা হলো নিষ্পাপ। ইবনে বাত্তাল রহ. বলেন, ফেরেশতাদের দোয়া কবুল হয়। সুতরাং আমরা যদি এমন কিছু
মদ হারাম হওয়ার আয়াত
মদ হারাম হওয়ার আয়াত – রাফি গতকালকেও একটা ট্রফি জিতেছে। ন্যাশনাল টিমের ক্রিকেটার সে। ছোটবেলা থেকেই খেলার সাথে জড়িত। আগে খেলা ছিল তার নেশা। এখন হয়ে গেছে পেশা। হঠাৎ করেই ইমেইল করলো রাফি। মানসূরের সাথে সর্বশেষ তার দেখা হয়েছে চার মাস আগে। ইদানিংকালে দুজনের সামনা সামনি দেখা হয় না তেমন। রাফি বিভিন্ন টুর্নামেন্ট খেলার জন্য প্রায় দেশের বাহিরে থাকে। মানসূর এবার ইসলামিক বিচার ব্যবস্থার উপর পিএইডি করছে মদীনা ইউনিভার্সিটিতে। কম্পিউটার

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই