আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ধর্মের ইতিহাস

ধর্মের ইতিহাস – বিশ্বে এখন সেক্যুলারিজমের জয়জয়কার। এই সেক্যুলারিজমের হাত ধরেই বিশ্বে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, লিবারিলিজম, হিউম্যানিজম সহ আরও বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাফিররা এসব তন্ত্র-মন্ত্রকে নিজেদের করে নিয়েছে এবং চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী তারা অন্য জাতির উপরও এসব জিনিস চাপিয়ে দিয়েছে। সেক্যুলারিজমের মূল ভিত্তি হলো ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্ম ও রাষ্ট্র আলাদা হওয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সাবায়ী ফেতনা ও বিরুদ্ধাচরণ

 হযরত উসমান রা. এর খেলাফতের শেষ ছয় বছরের দিকে সাবায়ী ফেতনা তথা আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার ফেতনা ভালোভাবেই শেকড় গেড়েছিল। ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করা এবং গৃহযুদ্ধ উসকে দেয়াই ছিল তাদের টার্গেট। হযরত উসমান রা. এর গুরুত্বপূর্ণ গভর্নরদের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের ব্যাপারে মিথ্যা অভিযোগ তুলতে লাগলো। তারা প্রথমে এই কথা উঠালো

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নারীবাদী তত্ত্ব থেকে নাস্তিক

নারীবাদীরা সর্বদা তাদের নারীবাদী তত্ত্ব থেকে ইসলামকে যাছাই করতে যায়। তখনই শুরু হয় বিরাট এক সমস্যা। ইসলামের সাথে নারীবাদের দ্বন্দ্ব বহু আগ থেকেই। কারণ, ইসলাম মানে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর নারীবাদ বলে ভোগবাদীর উপর আত্মসমর্পণ। এজন্য মুসলিম নারীবাদীরা একটা সময় ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে নাস্তিক হয়ে যায়। আর এই জিনিষটা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ভয়াবহ ফিতনা এবং মুসলমানদের করণীয়

ফিতনা হলো পরীক্ষা। চলাচলের রাস্তায় উৎ পেতে থাকা ফাঁদ। পৃথিবীতে রয়েছে ভয়াবহ ফিতনা এবং বিপদের ছড়াছড়ি। সম্পদের ফিতনা, অভাবের ফিতনা, নাম না জানা কত ফিতনা আছে, তার কোনো হিসাব নেই। ফেতনার এই মূহুর্তে মুসলমানদের করণীয় কি, সেটি একজন মুসলমানের জানা উচিৎ। নবীজি সা. পৃথিবীর এত লাখো লাখো ফিতনার মধ্যে সবচেয়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শরীয়াহ আদালত বনাম বাস্তবতা

শরীয়াহ আদালত বনাম বাস্তবতা – একজন মুসলিম যত বড় ফাসিক হোক না কেন, তার অন্তরের সুপ্ত বাসনা থাকে শরীয়াহ শাসন। শরীয়াহকে ঘৃণা করলে সে আর মুমিন থাকে না। সে আস্তে আস্তে কুফর ও রিদ্দাহর পথ বেছে নেয়। আমাদের দেশ এবং এই বিশ্ব চলছে সেক্যুলার সিস্টেমে। এর ফলে দেশের আদালত গড়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস ও বাড়াবাড়ি

খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস – মুসলিম ইতিহাসের নিকৃষ্ট জাতির মধ্যে অন্যতম হলো খারেজী সম্প্রদায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ও মহামান্য ব্যক্তিদের অবজ্ঞা দ্বারাই তাদের সূচনা হয়। তাদের প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমরা নিচে মূলকথা ও ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করছি। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি খারেজীদের ব্যাপারে একটা কথা চিরসত্য যে, তারা খুবই ইবাদাত বন্দেগী করে। সর্বক্ষণ খোদার স্বরণে মত্ত থাকে। কিন্তু তারা ইসলাম বা ধর্মকে বুঝেছে নিজেদের মন ও মত অনুযায়ী। তারা নিষিদ্ধ বিষয় থেকে খুবই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ফেমিনিজম কি

নারীবাদ বা ফেমিনিজম কি এটি নিয়ে আমাদের মুসলিম সমাজে অনেকটা সংশয় এবং খাপছাড়া মনোভাব আছে। কেউ মনে করেন, পশ্চিমা নারীবাদ বা ফেমিনিজম যদিও ইসলাম সমর্থন করে না, এরপরও এটাকে যদি ইসলামের ধারাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে আর মন্দ কি! বর্তমান সমাজে এই নারীবাদ বা ফেমিনিজম এতটাই মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, অনেক দ্বীনদার তরুণী কিংবা প্রাকটিসিং মুসলিম নারীরাও এই ফিতনার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমরা এই ফেমিনিজম কি এবং এটা কোথা থেকে শুরু,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার

সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার – সম্প্রতি বাংলাদেশে কিছু আলেম ও দ্বীনী ভাইদের উদ্যোগে হিজড়া সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা মসজিদ তৈরি করা হয়। যাতে তারা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারে। সাধারণত হিজড়ারা বিভিন্ন রকম পোশাক পরিধান করার কারণে আমাদের মসজিদগুলোতে যেতে পারে না। আমাদের কালচার তাদেরকে মেনে নিতে পারে না। তাদেরকে সহ্য করতে পারে না। তাই তাদের জন্য আলাদা ইবাদতগৃহ নির্মাণ নিঃসন্দেহে অতি উত্তম একটি কাজ। দেশে হিজড়াদের নিয়ে আলাদাভাবে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে সে একা একাই ভুল পথে চলছে না। বরং আরো দশজন তার কাজ থেকে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। নবীজি সা. আমাদের উপর আল্লাহর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প থাকছে

এনসিটিবি কর্তৃক জানানো হয়, নতুন কারিক্যুলামে সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প নামক সমকামিতা প্রচারকারী গল্পটি থাকছে। গত বছর থেকেই এই গল্পটি ও আরো কিছু লেখা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষিত মানুষেরা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ ও আলেমরা। বাদ যাচ্ছে শরীফার গল্প। এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হয় ১৭ মে ২০২৪ তারিখে। দেখুন নিচের বাটনগুলোতে। আমাদের মূল লেখাটিও রাখা হলো তাদের কর্মকাণ্ড বুঝার সুবিধার্থে কিন্তু তারা কারো কথা না শুনে একগুঁয়েমি করে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব – হাসিনার পতনের পর সকলেই মহাখুশী। কেউ কেউ ভেবেছেন এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। কারো মতে এই ছিল ছাত্র-জনতার দ্রোহ। পূর্বে-পরে যাই হোক, এই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থারই আরেক রূপ। হাসিনা একটা সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিল। আগামীতে অন্য কোনো দল আসবে। তারাও এর কাছাকাছি স্বৈরাচার হবে। বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন একটা সময় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় রূপ নিতে বাধ্য। ফরাসি বিপ্লব থেকে ইংরেজ খেদাও আন্দোলন মুসলিম

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

রমজানের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজানের গুরুত্ব – আরবি বারো মাসের মধ্যে এক মাস আমাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রোজাকে ফরজ করেছেন। রোজা হলো ইসলামের মৌলিক ফরজ বিধানগুলোর মধ্যে অন্যতম। রোজা এর আরবি শব্দ হলো সওম। আর শরীয়তের পরিভাষায় সওম বলা হয়, প্রত্যেক সজ্ঞান, বালেগ মুসলমান নর-নারীর সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকা। রমজান মাসে মানুষের উপর পূর্ণ মাস রোজা রাখা ফরজ হয়। প্রত্যেক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাইয়াত কত প্রকার

বাইয়াত কত প্রকার – বাইয়াতের গুরুত্ব ইসলামে অনেক বেশি। কালিমায়ে তাইয়্যেবা পড়ার মাধ্যমেই আল্লাহর আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নেই। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে খালদুন রহ. (১৩৩২-১৪০৬ খ্রি./৭৩২-৮০৮ হি.) বলেন, বাইয়াত বা বাইআত মানে হলো আনুগত্যের উপর চুক্তি করা। বাইয়াত বা বাইআত গ্রহণকারী তার আমীরের নিকট নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ক্ষমতা সোপর্দ করবে। উক্ত বিষয়গুলোতে সে আমীরের বিরোধিতা করবে না। কোনো বিষয়ে বাইয়াত করার পর আমির তাকে যা আদেশ করবে, তা বাইয়াতকারীর পালন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ওমর রাঃ এর অমূল্য কিছু বাণী

হযরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব রহ. বলেন, হযরত ওমর রাঃ এর অমূল্য ১৮টি বাণী রয়েছে। যেগুলো প্রতিটি নিয়ে আলাদা আলাদা গবেষণা করা যায়। বাণীগুলো যথাক্রমে, ০১। যে তোমার কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে আল্লাহর অবাধ্যতা করে, তোমার দেওয়া তার সবচেয়ে উত্তম শাস্তি হলো, ওই জিনিসের ক্ষেত্রে তার অবাধ্যতার সমপরিমাণ তুমি আল্লাহর আনুগত্য করবে। ০২। তুমি তোমার অপর ভাইয়ের যেকোনো বিষয় উত্তমভাবে সাজিয়ে রাখো, যদি না সে তোমাকে নিষেধ করে। ০৩। কোনো মুসলিম ভাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী

আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

কথার আঘাত

কথার আঘাত – বেঁচে থাকার জন্য যেমন আমাদের অক্সিজেন প্রয়োজন তেমনি মনের ভাব পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য আমাদের কথা বলা প্রয়োজন। মনের ভাব প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো কথা বলা। কথার মাধ্যমে একটি বিষয় যত সহজে বুঝানো যায়, লিখেও ততটা সহজে বুঝানো যায় না। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে যবান দিয়েছেন কথা বলার জন্য। যবানের মাধ্যমে আমরা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি। পবিত্র কুরআনের সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৫৩ এ বলেন, وَ قُلۡ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত

প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র কুরআনে জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত প্রায় ৫০০ এর অধিক। তবে এই সব আয়াতে ‘জিহাদ’ শব্দ দ্বারা কিংবা জিহাদের ব্যাপারে আলোচনা আসে নি। কোথাও ‘কিতাল’ শব্দ দ্বারাও আলোচনা করা হয়েছে। কোথাও জিহাদের মাসআলা-মাসায়েল নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সরাসরি ‘জিহাদ’ শব্দটি কুরআনে এসেছে প্রায় ২৭ বার। এখানে জিহাদ সম্পর্কে বেশ কিছু আয়াত একত্রিত করা হলো ফজিলত হিসেবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জিহাদের ফজিলত বুঝে নিজেদেরকে প্রস্তুত করার তাওফিক দান

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top