আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
এই ভূখন্ডে আমাদের ভবিষ্যত কি?
এই ভূখন্ডে আমাদের ভবিষ্যত কি – দলে দলে গ্রেপ্তার হচ্ছে। রাস্তায় মোবাইল চেক হচ্ছে। ঘরের দরজায় হঠাৎ টোকা দিয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে, “এখানে কি ছাত্র আছে?” কেউ দরজা না খুললে দরজায় মার্কার দিয়ে suspended শব্দ লিখে রাখা হচ্ছে। আপনাকে আমি গাজ্জার ঘটনা শোনাচ্ছি না। কাশ্মীরের ঘটনাও নয়। আরাকানের ঘটনাও নয়।
খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস
খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস – পৃথিবীতে দীর্ঘ ২০০০ বছরের কাছাকাছি যেই ধর্ম ইউরোপ-আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ায় রাজত্ব গিয়েছে, তাদের সম্পর্কেই আজকের আলোকপাত। প্রথমেই আমরা জরুরি কিছু আলাপ সেরে নেই। তারপর আমরা খ্রিষ্টধর্মের মূল আলোচনায় যাব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে দুই ধরনের নবী পাঠিয়েছেন। যেমন, হজরত আদম, নুহ, ইবরাহিম ও মুহাম্মাদ সা. কে
জাতীয়তাবাদ কি
জাতীয়তাবাদ কি – এককালে পৃথিবীতে রাজারা শাসন করত। তাদের রাজ্যের সীমানা হতো বিভিন্ন রকম। কোনোটি ছোটো, কোনোটি বড়ো, কোনোটি ২/৩ মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত। তবে এনলাইটেনমেন্টের পর ধীরে ধীরে রাজাদের ক্ষমতা কমতে থাকে এবং নতুন শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এনলাইটেনমেন্টের পরবর্তী সময়ে শাসনব্যবস্থার ভিত্তি গঠনে সেক্যুলারিজম, লিবারিলিজম, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
শরীয়াহ আদালত বনাম বাস্তবতা
শরীয়াহ আদালত বনাম বাস্তবতা – একজন মুসলিম যত বড় ফাসিক হোক না কেন, তার অন্তরের সুপ্ত বাসনা থাকে শরীয়াহ শাসন। শরীয়াহকে ঘৃণা করলে সে আর মুমিন থাকে না। সে আস্তে আস্তে কুফর ও রিদ্দাহর পথ বেছে নেয়। আমাদের দেশ এবং এই বিশ্ব চলছে সেক্যুলার সিস্টেমে। এর ফলে দেশের আদালত গড়ে
ঈদ উদযাপন করবো কিভাবে?
ইসলামী সংস্কৃতিতে ঈদ উদযাপন – মুয়াজ্জিনের মুখরিত কণ্ঠে ঘুম ভাঙ্গে আমার। তিনি হাইয়্যা আলাস সালাহ্ বলে মানুষকে নামাজের দিকে আহবান করছেন। আড়মোড়া ভেঙ্গে ঘুম থেকে উঠলাম আমি। বাসায় এই কয়দিন আমি আর আব্বু ছাড়া কেউ ছিল না। গতকাল রাতে চাচাতো ভাই জাবের ও যুবায়ের আসলো। আমরা কখনো একত্রে ঈদ উদযাপন
কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত
কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত – ভাগওয়া লাভ ট্রাপ। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান একটি সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। কট্টর হিন্দুত্ববাদ কর্তৃক মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম রমণীদের ধর্ষণসহ ইজ্জত লুট করা হয়। বাংলাদেশ একটি সেক্যুলার রাষ্ট্র হওয়ায় প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজে ফ্রি মিক্সিং চলমান। এছাড়াও মুসলিম ছেলে-মেয়েদের অপরিপক্ক ধর্মীয় জ্ঞান ও বয়সের স্বল্পতার
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
নারীবাদী তত্ত্ব থেকে নাস্তিক
নারীবাদীরা সর্বদা তাদের নারীবাদী তত্ত্ব থেকে ইসলামকে যাছাই করতে যায়। তখনই শুরু হয় বিরাট এক সমস্যা। ইসলামের সাথে নারীবাদের দ্বন্দ্ব বহু আগ থেকেই। কারণ, ইসলাম মানে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর নারীবাদ বলে ভোগবাদীর উপর আত্মসমর্পণ। এজন্য মুসলিম নারীবাদীরা একটা সময় ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে নাস্তিক হয়ে যায়। আর এই জিনিষটা একদিনে ঘটে না। পর্যায়ক্রমে এমনটা ঘটে। প্রথম ধাপ প্রথম প্রথম কিছুটা মনগড়া অভিযোগ ও কিছুটা ক্ষোভ দিয়ে তাদের বীজ বপন
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা কে ছিল?
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা – মুসলিম উম্মাহর মাঝে সর্বপ্রথম ভুল আকিদা ও বিতর্কিত মতাদর্শের বীজ রোপণ করে একজন ইহুদী। যাকে ইতিহাসের পাতায় আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ছিল ইহুদী বংশের একজন ব্যক্তি। নিজের সুবিধার জন্য সে মুসলিম বলে পরিচয় দিত জনগণের সামনে। তার উঠাবসা ছিল সে সময়ের পাপিষ্ঠ ও মুনাফিক ব্যক্তিদের সাথে। আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা সর্বদা ইসলাম ও মুসলামাদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করায় লিপ্ত থাকতো। সময়টি
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে সে একা একাই ভুল পথে চলছে না। বরং আরো দশজন তার কাজ থেকে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। নবীজি সা. আমাদের উপর আল্লাহর
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর মুনাজারার পরে খারেজিদের মধ্য হতে প্রায় ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মতো খারেজি তাদের দলত্যাগ করে আলী রা. এর নিকট চলে আসে। এরপর হযরত আলী রা. নিজেই খারেজিদের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। ফলে তারা কুফা শহরে ফিরে আসে। কিন্তু গোঁড়ামির কারণে তারা বেশি সময় সেখানে থাকতে পারে নি। কারণ, তারা ভেবে নিয়েছিল, আলী রা. সালিশের ঘটনা থেকে
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর – সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহ নারীদের দুর্বল প্রকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তাই কখনো কখনো ইচ্ছায় আবার কখনো অনিচ্ছায় তারা পুরুষদেরকে ফিতনার মধ্যে ফেলে দেন। নারীর ফাঁদ ও শয়তানের ফাঁদের মধ্যে নারীঘটিত ফাঁদকেই কুরআন বড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাধারণত নারীরা বাহ্যিকভাবে কোমল, নাজুক ও অবলা হয়ে থাকে। এর ফলে তাদের কথা ও অঙ্গভঙ্গিমায় দ্রুত পুরুষরা তাদের বিশ্বাস করে ফেলে। কিন্তু অভ্যাসের কারণে সেটি তাদের ছলনা হিসেবেই ধরা যায়।
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় রবিবার পর্যন্ত আদালত স্থগিত করা হয়। যথারীতি রবিবারে আদালত বসে। এদিকে পূর্বেই চট্টগ্রাম আদালতে উগ্র হিন্দুদের আগমণের খবর পেয়ে অনেক
নামাজ শিক্ষা
নামাজ শিক্ষা – একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই জানি, ইসলামের ফরজ বিধান ৫ টি। এই পাঁচটি হলো, মুসলিম হওয়ার পর প্রথম কর্তব্য। কেউ যদি মুসলমান হওয়ার পর উক্ত পাঁচটি বিধানকে ফরজ হিসেবে না মানে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আর কেউ যদি উক্ত বিধানগুলোকে অস্বীকার করে, তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কালিমা নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত নামাজ কেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি কালিমায়ে তায়্যিবা পড়ে মুসলমান হওয়ার
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক হবে মুহাব্বাতের। মুহাব্বাত বা ভালোবাসা শুধু একতরফা নয়। এটি পরষ্পরের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা যারিয়াতের ৫৬ নং আয়াতে বলেন, وَ مَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَ الۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ আমি জ্বীনজাতি ও মানবজাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছি। আল্লাহ তো আপনাকে ইবাদাত করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি ইবাদাত কিভাবে করবেন? নিজের মনমতো? না। তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আল্লাহ তা’আলা সূরা ইমরানের ৩১ নং
আল্লাহকে কেন ভুলে যাই আমরা
আল্লাহকে কেন ভুলে যাই আমরা – আল্লাহ আমাদের কত ভালোবাসেন। কত মুহাব্বত করেন। কত যত্ন করেন। এরপরও আমরা আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত। আমাদেরকে বারবার বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি সতর্কবার্তা পাঠান। এরপরও আমরা তা উপেক্ষা করে হারাম কাজে লিপ্ত হই। অশ্লীল-অশালীন কাজে গা ভাসিয়ে দেই। মনে করি, হয়তো কোনো সমস্যা নেই। আসলে আমরা বর্তমানে আল্লাহকে ভয় করি না। আমরা ভয় করি সি.সি. ক্যামেরাকে। ভয় করি পুলিশকে। ভয় করি বাবা-মাকে। লোকজনকে। কেউ আমার খারাপ
রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত
রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত : জানেন ভাবি! আমাদের এই কুরবানীর ঈদে গরু কিনেছে এক লাখ ত্রিশ হাজার দিয়ে। : ওয়াও। এটা কি আপনারা একাই দিচ্ছেন? : হ্যাঁ। একাই। : তো এত গোশত রাখবেন কিভাবে? : আজকে আমরা ওয়ালটন শো রুম থেকে একটা ফ্রিজ কিনে আনবো। : বলছিলাম কি ভাবি, গোশতগুলো জমিয়ে না রেখে গরীব-অসহায়দের দান করলে ভাল হয় না? : আরে দূর ভাবি, কি যে বলেন। এত কষ্টের টাকা দিয়ে
প্রকৃত সুখ কী
“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ
মাহরাম কারা
সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ মাহরাম কারা এ সম্পর্কে বলেন, حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই