আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ফিলিস্তিন কি বাস্তবেই ইহুদিদের?

ফিলিস্তিন কি বাস্তবেই ইহুদিদের? – বাইবেলের সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পগুলির মধ্যে একটি হলো, মূসা আ. প্রতিশ্রুত ভূমির দিকে তাকাচ্ছেন। তিনি তাঁর লোকেদের তথা ইস্রায়েলীয়দের, মিশর থেকে বের হয়ে যাওয়ার যাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরপর অনুর্বর সিনাই মরুভূমি থেকে ফিলিস্তিনের দিকে যাত্রা শুরু করছেন। বাইবেলের গল্প বলে যে, মুসা জেরিকোর প্রাচীন শহরটি দেখার সাথে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা

ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা , এটা এক কথায় দেখিয়ে দেওয়ার উপায় নেই। এককালে যারা এর বিরোধিতা করতো আজ দেখা যাচ্ছে, তারা এর পক্ষে সাফাই গাইছে। বাংলাদেশে যত রাজনৈতিক দল আছে, হোক বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী, উভয়েরই মূল লক্ষ্য সেক্যুলারিজম। আর সেক্যুলার হতে গিয়েই তারা পশ্চিমাদের মিত্রে পরিণত হয়। পশ্চিমা দুনিয়া হলো,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

অ্যান্টি সেমিটিজম কী

অ্যান্টি সেমিটিজম কী বা এন্টি-সেমেটিক কি?- পৃথিবীর একটা মস্তবড় অপরাধ আছে। পৃথিবী কখনো কখনো মানুষের আসল রুপ প্রকাশ করে দেয়। তখন আঁতে-ঘাঁ লাগে অনেকেরই। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকা। প্রবাদটির অর্থ হলো, নিন্দনীয় কাজ গোপনের ব্যর্থ চেষ্টা। একটা জিনিষ খেয়াল করবেন, যখন আপনি কারো ভুল ধরে ফেলেন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী

মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী খান – মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত থেকেও অনেক আগে মাঝেমধ্যে নোমান আলী খান এর লেকচার শুনতাম। শুরুর দিকে উনার দাঈ হিসেবে আলোচনাগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। পরিচিত অনেকের পছন্দের ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। তিনিও মডারেট চিন্তাধারা থেকে মুক্ত নন। একটা আয়াত আমার খুব বেশি মনে পড়ছে। সূরা তওবার ৩

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী বাংলাদেশ

হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী বাংলাদেশ – যুগে যুগে বহু ক্ষমতাধর এবং ফ্যাসিবাদ আসে। একটা সময় তারা হারিয়ে যায়। আজীবন মানুষ তাদের ঘৃণাভরে স্বরণ করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকের দিনটি স্বরণীয় হয়ে থাকবে। এই তারিখটি পরবর্তী ইতিহাসের পাতায় হয়তো স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ০৫ আগষ্ট ২০২৪। রোজ সোমবার। বিগত কোটা আন্দোলন শুরু হওয়ার পর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ঈদ উৎসবের গুরুত্ব

ঈদ উৎসবের গুরুত্ব – পোলাপান নাকি ঈদের আনন্দ পায় না। এটা বড়ই হাস্যকর। হারাম অনুষ্ঠানে আনন্দ উল্লাস করে এলাকাকে মাথায় উঠায়। অথচ হালাল ঈদ উৎসবে ঘুমিয়ে কাঁটিয়ে আমার বলে, “সারাদিন ঘুমিয়ে কাঁটলো” “ঈদের বয়স নাই” “ঈদের মজা নাই” ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো হলো অকৃতজ্ঞতা স্বরুপ কথাবার্তা। ইন্টারনেট ও মোবাইল আমাদের জীবনকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে

ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে – উপনিবেশ শাসনামলের পরবর্তী সময়ে যখন দখলদাররা মুসলিম ভূমি থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করল তখন একটি সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দিলো। ইউরোপিয়ানরা চাচ্ছিল, তাদেরই অনুগত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে দেশত্যাগ করতে। তারা সর্বদাই কিছু ব্যক্তিদের স্কলারশিপ দিয়ে ইউরোপ থেকে লেখাপড়া করিয়েছিল। এই ‘জাতে দেশি, চিন্তায় বিদেশি’ ব্যক্তিদের হাত ধরেই মুসলিমবিশ্বে সেক্যুলারিজমের উত্থান ছড়িয়ে পড়ে। পশ্চিমারা তখন ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের আদলে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিল।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

নাহরাওয়ানের যুদ্ধ – আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা. খারেজিদের কিছু শর্তে কুফায় থাকতে দিয়েছিলেন। যেগুলো হলো, ১. অন্যায়ভাবে কারো রক্ত ঝরাবে না। ২. সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করবে না। ৩. কোনো মুসাফিরের পথ আটকাবে না। পড়ুন: খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা আর যদি খারেজিরা এসব শর্ত মান্য না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধই হবে এর সমাধান। কিন্তু খারেজিরা তাদের প্রতিপক্ষকে কাফের আখ্যা দিয়ে তাদের সম্পদকে নিজেদের জন্য হালাল ভাবতে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে সে একা একাই ভুল পথে চলছে না। বরং আরো দশজন তার কাজ থেকে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। নবীজি সা. আমাদের উপর আল্লাহর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি: দায় কার?

সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি – জুলাই আন্দোলন শুরু থেকেই ছিল স্বার্থের উপর প্রতিষ্ঠিত। গণমানুষের চাওয়া-পাওয়াকে শুরু থেকেই থোড়াই কেয়ার করা হয়েছে। কখনো মতাদর্শের নামে, কখনো ফান্ডিং এর নামে, কখনো ধর্মের নামে আমজনতাকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনের সময় যারা কুরআনের আয়াত পড়ে মানুষকে আন্দোলনে নামতে উজ্জীবিত করেছে, তারাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে এনজিও নির্ভর সরকার গঠনে সাহায্য করেছে। যাদেরকে বিপদে পড়তে দেখে দেশের আপামর জনতা নিজেদেরকে কুরবান করেছে, তারাই দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্বহীন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব – ১৫০ বছর আগে মুসলিমবিশ্বের অবস্থার দিকে অবলোকন করতে আমরা দেখতে পাই, এক নিভুনিভু খিলাফতের ছায়ায় এই উম্মাহ একত্রিত হয়ে বসবাস করছে। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া নেই, পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা নেই। পরবর্তীতে এমন কী হলো যে, খিলাফত পতনের পর এর থেকে প্রায় অর্ধশত রাষ্ট্রের জন্ম হলো? মুসলিমবিশ্বের শৌর্যবীর্য থাকাকালীন কুফফার বিশ্ব তাদের বাদ-মতবাদ মুসলমানদের উপর বর্তমানের মতো নগ্নভাবে চাপিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস করেনি। সর্বপ্রথম আব্বাসি খিলাফতের সময় মুসলমানরা পশ্চিমা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শাহবাগ বাইনারি

শাপলা-শাহবাগ বাইনারি বাংলাদেশে বহু আগ থেকেই সমস্যা। এটির সূচনা ১৩ সালেই নয়। ১৭৫৭ সাল থেকেই। ইংরেজরা বাংলা অঞ্চল দখল করে ১৭৫৭ সালে। এই অঞ্চলের মানুষ ইংরেজদের মেনে নেয় নি। তাই বলে কি ইংরেজরা ছেড়ে দিয়েছিল জনগণকে? না। তারা নির্যাতন চালিয়েছে। নিপীড়ন করেছে। মানুষের জায়গা, সম্পদ, পরিবার কেড়ে নিয়েছে। বাংলার উৎপাদনকে তারা ধ্বংস করেছে। এই সময়ে ইংরেজদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। ‘দেশীয় বিরোধী শক্তি’। এটিকে দমানোর জন্য ইংরেজরা তাদের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য – পৃথিবীতে মুসলিমরা আজ দ্বিধাবিভক্ত। তারা বিধ্বস্ত। তাদের জাগরণ আজ নিস্তব্ধ। ইসলাম শুরুতে এমন ছিল না। পৃথিবীতে এমন এক কঠিন সময়ে এই দ্বীনকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, যখন জাতিগত বিভেদ ছিল তুঙ্গে। মানুষ সর্বদা নিজের বড়াই করতো আর অপরকে হেয় প্রতিপন্ন করতো। মানুষ নিজের পরিচয় দিত, আমি অমুক গোত্রের, সে অমুক গোত্রের। আমি সাদা বর্ণের আর সে কালো বর্ণের। আমি ধনী আর সে গরীব। আমি আরবীয়। সে ভারতীয়। আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে – পৃথিবীতে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কত রকম প্রাণীকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির বয়স ৩০ লাখ বছর। আল্লাহ শুরুতে আদম আ. কে পাঠিয়েছিলেন। এরপর একে একে আরো কত মানুষ পাঠিয়েছেন। মানুষ পাঠানোর এই ধারাবাহিকতা কখনোই শেষ হয় নি। মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে। হঠকারিতায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও আল্লাহ মানুষ পাঠানো বন্ধ করেন নি। ফেরআউনের মতো মানুষ, নমরূতের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুরা নিসার আলোকে এতিমের অধিকার

এতিমের অধিকার – হঠাৎ করেই টেবিলের উপরে থাকা মোবাইলটি বেজে উঠলো। স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখলাম, আবিরের ফোন নম্বর এটি। রিসিপ করতেই ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে উঠলো। “ভাইজান, আমার এহন কি হইবো? আমার পিচ্চি পোলাডার কি হইবো” বলে আবিরের স্ত্রী কাঁদতে লাগলো। আমি খানিকটা সান্তনা দিয়ে বললাম, কি হয়েছে? আবিরের কি শরীর খারাপ? আবিরের স্ত্রী আয়েশা বললো, না ভাইজান। আবির আজকে সকালে মারা গেছে। বলেই তিনি ফুঁফিয়ে কেঁদে উঠলেন। খানিকটা শক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নামাজ কি অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে?

নামাজ কি অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে? ইসলামের ফরজ বিধানগুলোর অন্যতম একটি হলো সালাত তথা নামাজ। যাকে বলা হয়, ঈমান আনয়নের পর দ্বিতীয় ফরজ। হাদীস শরীফে রয়েছে, عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু উমর রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বোরকার ফাঁদ

হিজাব বা বোরকা হলো নারীদের অবয়ব ঢেকে রাখার মাধ্যম। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেকে পর-পুরুষ থেকে হেফাজতে রাখবে। নিজেরা নিরাপদ থাকবে। কিন্তু পর্দার এই উপায়টিকেই যখন সৌন্দর্য প্রকাশের মাধ্যম হয়ে যায় তখন তাকে বলা হয় বোরকার ফাঁদ বা হিজাব ট্র্যাপ। বর্তমানে হাতেগোনা খুব অল্প নারীরাই আছেন, যারা একমাত্র শরীয়াহর নিয়ম পালনার্থে বোরকা পরিধান করেন। অধিকাংশ নারী বোরকা পরিধান করেও সেখানে নানান স্টাইল ধারণ করে দ্বীনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখান। আবার কেউ কেউ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী

আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top