আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
অমুসলিম দেশে বসবাস
অমুসলিম দেশে বসবাস – আল্লাহ তা’আলা সূরা তওবার ৩ নং আয়াতে বলেন, وان الله بريء من المشركين ورسوله এ আয়াতের মাধ্যমে মুসলমান ও কাফেরদের সকল সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর তার জন্য চার মাসের সময় দিয়েছেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল দায়িত্বমুক্ত হলে সকল মু’মিন মুসলমানও দায়িত্ব মুক্ত হবেন। তাই
রাস্তার নামকরণ
রাস্তার নামকরণ – দৈনন্দিন চলাফেরার জন্য রাস্তা আমাদেরকে ব্যবহার করতেই হয়। রাস্তা ছাড়া একটি সমাজ কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। মানুষ নিজের প্রয়োজনে, অন্যের প্রয়োজনে রাস্তা তৈরি করে। রাস্তা দিয়ে প্রয়োজনীয় মালামাল আনা-নেওয়া করা যায়। নিজেও চলাফেরা করতে সুবিধা হয়। সমাজ, এলাকা বা রাষ্ট্রের সকল রাস্তারই আলাদা আলাদা নাম থাকে। রাস্তার
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর – সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহ নারীদের দুর্বল প্রকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তাই কখনো কখনো ইচ্ছায় আবার কখনো অনিচ্ছায় তারা পুরুষদেরকে ফিতনার মধ্যে ফেলে দেন। নারীর ফাঁদ ও শয়তানের ফাঁদের মধ্যে নারীঘটিত ফাঁদকেই কুরআন বড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাধারণত নারীরা বাহ্যিকভাবে কোমল, নাজুক ও অবলা হয়ে থাকে। এর
ফিলিস্তিন কি বাস্তবেই ইহুদিদের?
ফিলিস্তিন কি বাস্তবেই ইহুদিদের? – বাইবেলের সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পগুলির মধ্যে একটি হলো, মূসা আ. প্রতিশ্রুত ভূমির দিকে তাকাচ্ছেন। তিনি তাঁর লোকেদের তথা ইস্রায়েলীয়দের, মিশর থেকে বের হয়ে যাওয়ার যাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এরপর অনুর্বর সিনাই মরুভূমি থেকে ফিলিস্তিনের দিকে যাত্রা শুরু করছেন। বাইবেলের গল্প বলে যে, মুসা জেরিকোর প্রাচীন শহরটি দেখার সাথে
প্রথমে মোংলা ট্রানজিট, এরপর নিয়ন্ত্রণ
প্রথমে মোংলা ট্রানজিট তারপর কি? চীনের জন্য বাংলাদেশ কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে যথেষ্ঠ আর্টিকেল ও বই আছে। সেদিকে আমি যাচ্ছি না। তবে কিছু তথ্য শেয়ার করতে চাই এখানে। চীনের মোট ভূমি থেকে প্রায় ৪৩% ভূমি হলো চীনের বহির্ভূত। অর্থাৎ তা আগে চীনের অংশ ছিল না। পরবর্তীতে চীনের অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
ইহুদিদের তথ্য বাণিজ্য
শুধুমাত্র তথ্য বাণিজ্য করে যে অনেক মুনাফা হাতানো সম্ভব, তা শুধুমাত্র ইহুদিদের মাথাতেই প্রথম এসেছিল। তাদের পূর্বে কোনো জাতি এমনটা করার কল্পনাও করে নি। ইহুদিরা তথ্য বাণিজ্য করে বিভিন্ন জায়গার খবর আগাম পেয়ে যেত। আর তারা সেটি সম্পূর্ণ কাজে লাগাতো মুনাফা লাভের জন্য। ইহুদিদের নিজস্ব একটি পার্লামেন্ট ছিল। যাকে সেনহার্ড্রিন
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব
মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব – ১৫০ বছর আগে মুসলিমবিশ্বের অবস্থার দিকে অবলোকন করতে আমরা দেখতে পাই, এক নিভুনিভু খিলাফতের ছায়ায় এই উম্মাহ একত্রিত হয়ে বসবাস করছে। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া নেই, পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা নেই। পরবর্তীতে এমন কী হলো যে, খিলাফত পতনের পর এর থেকে প্রায় অর্ধশত রাষ্ট্রের জন্ম হলো? মুসলিমবিশ্বের শৌর্যবীর্য থাকাকালীন কুফফার বিশ্ব তাদের বাদ-মতবাদ মুসলমানদের উপর বর্তমানের মতো নগ্নভাবে চাপিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস করেনি। সর্বপ্রথম আব্বাসি খিলাফতের সময় মুসলমানরা পশ্চিমা
গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব
গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব – হাসিনার পতনের পর সকলেই মহাখুশী। কেউ কেউ ভেবেছেন এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। কারো মতে এই ছিল ছাত্র-জনতার দ্রোহ। পূর্বে-পরে যাই হোক, এই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থারই আরেক রূপ। হাসিনা একটা সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিল। আগামীতে অন্য কোনো দল আসবে। তারাও এর কাছাকাছি স্বৈরাচার হবে। বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন একটা সময় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় রূপ নিতে বাধ্য। ফরাসি বিপ্লব থেকে ইংরেজ খেদাও আন্দোলন মুসলিম
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার – সমাজের অন্যতম একটি মারাত্মক ব্যাধি হলো, নিজেকে নিয়ে নিজে সন্দেহে পতিত হওয়া। বিশ্বে সমকামিতার আড়ালে যেই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেটির নামে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। একজন পুরুষ কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র অগোছালো কিছু চিন্তার কারণে নিজেকে মেয়ে বলে দাবী করছে। আবার একজন নারী কোনো প্রমাণ ছাড়াই নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ দুইভাগে বিভক্ত। ১. পুরুষ ২. নারী। পুরুষ সন্তান জন্ম
শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার
শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার – ২০১৩ সালে যখন শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চে আন্দোলন শুরু হলো, এরপর থেকেই সেক্যুলার সমাজের কেউ কেউ এটির বিরোধিতা শুরু করল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার কর্মী, দৈনিক পত্রিকা ও সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকও এই আন্দোলনের বিরোধিতা শুরু করে। কিন্তু কেন? শাহবাগী বামপন্থিদের মূল টার্গেট ছিল সংস্কৃতির উপর। তাই প্রথমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করে। ক্রমে ক্রমেই এটি ইসলামবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এই সময়টাতে
খারেজিদের সাথে বিতর্ক
খারেজিদের সাথে বিতর্ক – হযরত আলী রা. যখন তার বাহিনী নিয়ে সিফফিন যুদ্ধ হতে কুফা নগরীতে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন খারেজিরা এক বড় দল নিয়ে আলী রা. হতে পৃথক হয়ে যায়। তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার। তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থে বিভিন্নরকম বর্ণনা রয়েছে। আল বিদায়া ওয়ান নিহায় গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার। তারিখুল
আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন
আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে। সে তার দলে পারসিকদের টানতে সক্ষম হয়। যে পারসিকরা ছিল মুসলমানদের চরম শত্রু। তার কাছে পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশসমূহকে শিয়া মতবাদ প্রচারের
রমজানের গুরুত্ব ও ফজিলত
রমজানের গুরুত্ব – আরবি বারো মাসের মধ্যে এক মাস আমাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রোজাকে ফরজ করেছেন। রোজা হলো ইসলামের মৌলিক ফরজ বিধানগুলোর মধ্যে অন্যতম। রোজা এর আরবি শব্দ হলো সওম। আর শরীয়তের পরিভাষায় সওম বলা হয়, প্রত্যেক সজ্ঞান, বালেগ মুসলমান নর-নারীর সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকা। রমজান মাসে মানুষের উপর পূর্ণ মাস রোজা রাখা ফরজ হয়। প্রত্যেক
লাখ লাখ অনুসারী দিয়ে কি হবে
আপনার লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে। লাখ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। আপনার ফেইসবুক, ইনস্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব বা অন্য সোস্যাল অ্যাকাউন্টের রিচ অনেক বেশি। আপনার ব্লু ব্যাজও রয়েছে অ্যাকাউন্টে। আপনার একটা কথার দাম অনেক। বহু মানুষ আপনাকে অনুসরণ করে। বহু মানুষ আপনার সাজেশন ফলো করে। আপনি কি আপনার এই জোশ-খ্যাতিকে ইসলামের জন্য ব্যয় করছেন? আপনি কি আপনার লাখ লাখ অনুসারী বা ফলোয়ারদের নিকট ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন? বর্তমান সময়ের এই যুগে মানুষ সহজেই অন্যের
মিথ্যা বলার শাস্তি
মিথ্যা বলার শাস্তি – দরসে কুরআনে আজ আমাদের শায়েখ সূরা তূর নিয়ে আলোচনা করছিলেন। কুরআনী তাদাব্বুর তথা বুঝ না থাকার কারণে সারা জীবন এই সূরা কতবার পড়েছি, কিন্তু একবারও অর্থ বুঝি নি। আজ বারবার দরসে বসে মনে হচ্ছিল, আল্লাহ এমন কথা বলেছেন অথচ আমি এই সম্পর্কে অজ্ঞ! এটা চিরসত্য যে, কুরআনী তাদাব্বুর একদিনে তৈরি হয় না। আবার শুধুমাত্র বঙ্গানুবাদ দেখে তেলওয়াত করলেও তাদাব্বুর এতটা অর্জিত হয় না। মূল আরবি থেকে
আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী
আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায় – সেদিনও সিগারেট ধরিয়ে গ্রামে নদীর কোণে বসে আনমনে ভাবছি। আর মাত্র কিছুদিন পরেই তাহলে বিয়েটা হয়ে যাচ্ছে। ভাবতেই কেমন যেন একটা খুশি খুশি ভাব চলে আসলো। মাথায় তেমন কোনো আইডিয়া নেই। তাই কিভাবে কি করবো, তাও জানি না। কবে এবং কোথা থেকে আমার জীবনে নতুন স্বপ্ন বোনা শুরু করেছিলাম, তা ঠিক ঠাওর করতে পারছি না। হঠাৎ একদিন বরাবরের মতো সেদিন ও আমাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস – জিহাদ হলো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি মহান আল্লাহর ফরজ বিধান এবং পৃথিবীতে সত্যের বাণী পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম একটি মাধ্যম। জিহাদের বিষয়ে কুরআন-হাদীস ও ফিকহের কিতাবে যা বর্ণিত আছে, সেগুলোকে আমরা এক মলাটে তথা এক পেজে আনার চেষ্টা করেছি বাংলাভাষী মানুষদের জন্য। বর্তমানে জিহাদ নিয়ে অনেকে অনেক প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। কেউ কেউ আছে, আলেমদেরকে না জিজ্ঞাসা করেই কুরআনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা বুঝে বসে থাকে। তাই আপনি

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই