আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

লাউড স্পিকারে আযান

লাউড স্পিকারে আযান – এককালের ভারতবর্ষ আর বর্তমান ইন্ডিয়া, দুটোই সীমানা ও নামকরণের দিক থেকে প্রায় কাছাকাছি হলেও এর মধ্যে যুগ হিসেবে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। এককালের ভারতবর্ষে শুরুতে শাসন করতো সনাতন ধর্মের ব্যক্তিরা। তারা তাদের ধর্মে জাত-বর্ণ হিসেব করে পুরো জাতিকে করে ফেলেছিল কয়েকভাগে বিভক্ত। কেউ ছিল শূদ্র, কেউ ছিল

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আবু হামজা: ইসরাইল বারবার পরাজিত হয়েছে

আবু হামজা: ইসরাইল বারবার পরাজিত হয়েছে – ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেডের সামরিক মুখপাত্র আবু হামজা ইসরায়েলি বন্দী হানা কাতসির এবং বালক ইয়াগিল ইয়াকুবকে “মানবিক কারণে” মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছেন। আজ (বাংলাদেশ সময়: ৯ নভেম্বর ২৩ রাত ১০টা, রোজ বৃহষ্পতিবার) সন্ধ্যায় একটি ভিডিও বিবৃতিতে মুখপাত্র বলেছেন যে,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মক্কী ক্যালেন্ডার কী

মক্কী ক্যালেন্ডার কী – পৃথিবীর প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা। রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ক্যালেন্ডার। তারিখ মানব জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তারিখ ব্যতিত মানুষ কখনো কোনো কাজ করতে পারে না। কোনো বড় পরিকল্পনা করতে পারে না। পৃথিবীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত যত ধরণের বর্ষপঞ্জি বা ক্যালেন্ডার রয়েছে সেগুলো হয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নাহরাওয়ানের যুদ্ধ

নাহরাওয়ানের যুদ্ধ – আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা. খারেজিদের কিছু শর্তে কুফায় থাকতে দিয়েছিলেন। যেগুলো হলো, ১. অন্যায়ভাবে কারো রক্ত ঝরাবে না। ২. সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করবে না। ৩. কোনো মুসাফিরের পথ আটকাবে না। পড়ুন: খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা আর যদি খারেজিরা এসব শর্ত মান্য না করে,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া পার্থক্য

বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে এই ইস্যুতে সবাই সুক্ষ্মভাবে একটি ধোঁকা দিচ্ছে। সেটি হলো, ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জিনিষ দুটি একত্র করে ফেলা। দেশের অনেক সংবাদমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই সংক্রান্ত নিউজ প্রচার করে মানুষের মাঝে ব্যাপক বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। হিজড়া হলো একটি জন্মগত জেনেটিক সমস্যা। হিজড়া কিভাবে হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, জন্মের সময় অ্যান্ড্রোজেন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

হীনমন্যতা থেকে মুক্তি

হীনমন্যতা থেকে মুক্তি – সকালবেলা বইটা নিয়ে আবার বসলাম। প্রতিদিনই কয়েক পৃষ্ঠা করে পড়ার চেষ্টা করি। প্রতিদিন পড়ি। থমকে যাই। আবার শুরু করি। আবার থমকে যাই। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করি, এত যে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ করছো, আদৌ কি আমল করেছ একটাও? তারপরও পড়ি। অনেকটা পড়ার জন্য পড়া আরকি। যদি

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নারীবাদী তত্ত্ব থেকে নাস্তিক

নারীবাদীরা সর্বদা তাদের নারীবাদী তত্ত্ব থেকে ইসলামকে যাছাই করতে যায়। তখনই শুরু হয় বিরাট এক সমস্যা। ইসলামের সাথে নারীবাদের দ্বন্দ্ব বহু আগ থেকেই। কারণ, ইসলাম মানে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর নারীবাদ বলে ভোগবাদীর উপর আত্মসমর্পণ। এজন্য মুসলিম নারীবাদীরা একটা সময় ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে নাস্তিক হয়ে যায়। আর এই জিনিষটা একদিনে ঘটে না। পর্যায়ক্রমে এমনটা ঘটে। প্রথম ধাপ প্রথম প্রথম কিছুটা মনগড়া অভিযোগ ও কিছুটা ক্ষোভ দিয়ে তাদের বীজ বপন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার

ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার – সমাজের অন্যতম একটি মারাত্মক ব্যাধি হলো, নিজেকে নিয়ে নিজে সন্দেহে পতিত হওয়া। বিশ্বে সমকামিতার আড়ালে যেই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেটির নামে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। একজন পুরুষ কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র অগোছালো কিছু চিন্তার কারণে নিজেকে মেয়ে বলে দাবী করছে। আবার একজন নারী কোনো প্রমাণ ছাড়াই নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ দুইভাগে বিভক্ত। ১. পুরুষ ২. নারী। পুরুষ সন্তান জন্ম

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ফেমিনিজম কি

নারীবাদ বা ফেমিনিজম কি এটি নিয়ে আমাদের মুসলিম সমাজে অনেকটা সংশয় এবং খাপছাড়া মনোভাব আছে। কেউ মনে করেন, পশ্চিমা নারীবাদ বা ফেমিনিজম যদিও ইসলাম সমর্থন করে না, এরপরও এটাকে যদি ইসলামের ধারাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে আর মন্দ কি! বর্তমান সমাজে এই নারীবাদ বা ফেমিনিজম এতটাই মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, অনেক দ্বীনদার তরুণী কিংবা প্রাকটিসিং মুসলিম নারীরাও এই ফিতনার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমরা এই ফেমিনিজম কি এবং এটা কোথা থেকে শুরু,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শাতিম ইস্যু

বছরে কয়েকবার যে-ই ইস্যুটি সামনে আসে, সেটি হলো শাতিম ইস্যু । নবীজি ﷺ কে গালি দেওয়া, তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা, উম্মাহাতুল মুমিনিনদের নিয়ে কটূক্তি করা, আল্লাহকে গালি দেওয়াসহ অনেকগুলো বিষয় এই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। তবে এর সূচনাটা হয় ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করেই। দেশে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করার ব্যক্তিদের অভাব নেই। এর বড়ো একটি অংশ বাঙ্গালি মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এই অংশটি সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের আদর্শের কাছাকাছি। উপমহাদেশের হিন্দুদের আধিপত্য সাহিত্য এবং

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব – ১৫০ বছর আগে মুসলিমবিশ্বের অবস্থার দিকে অবলোকন করতে আমরা দেখতে পাই, এক নিভুনিভু খিলাফতের ছায়ায় এই উম্মাহ একত্রিত হয়ে বসবাস করছে। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া নেই, পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা নেই। পরবর্তীতে এমন কী হলো যে, খিলাফত পতনের পর এর থেকে প্রায় অর্ধশত রাষ্ট্রের জন্ম হলো? মুসলিমবিশ্বের শৌর্যবীর্য থাকাকালীন কুফফার বিশ্ব তাদের বাদ-মতবাদ মুসলমানদের উপর বর্তমানের মতো নগ্নভাবে চাপিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস করেনি। সর্বপ্রথম আব্বাসি খিলাফতের সময় মুসলমানরা পশ্চিমা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

রূপান্তরকামিতা

ইংরেজিতে (Transgender) ট্রান্সজেন্ডার আর বাংলায় রূপান্তরকামিতা বা রূপান্তরিত লিঙ্গ একই জিনিষ। একজন পুরুষ যদি নিজেকে মহিলা দাবী করে বা একজন মহিলা যদি নিজেকে পুরুষ দাবী করে, তাহলেই তাকে রুপান্তরকামিতা বা ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়। এখন কোনো ট্রান্সপুরুষ তথা যেই মহিলা নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে, তার যদি মাসিকও হয়, সন্তানও হয়, যৌনাঙ্গ থাকে তাতেও কোনো সমস্যা নেই। তাকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। আবার কোনো ট্রান্সমহিলা তথা যেই পুরুষ নিজেকে মহিলা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ওমর রাঃ এর অমূল্য কিছু বাণী

হযরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব রহ. বলেন, হযরত ওমর রাঃ এর অমূল্য ১৮টি বাণী রয়েছে। যেগুলো প্রতিটি নিয়ে আলাদা আলাদা গবেষণা করা যায়। বাণীগুলো যথাক্রমে, ০১। যে তোমার কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে আল্লাহর অবাধ্যতা করে, তোমার দেওয়া তার সবচেয়ে উত্তম শাস্তি হলো, ওই জিনিসের ক্ষেত্রে তার অবাধ্যতার সমপরিমাণ তুমি আল্লাহর আনুগত্য করবে। ০২। তুমি তোমার অপর ভাইয়ের যেকোনো বিষয় উত্তমভাবে সাজিয়ে রাখো, যদি না সে তোমাকে নিষেধ করে। ০৩। কোনো মুসলিম ভাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মদ হারাম হওয়ার আয়াত

মদ হারাম হওয়ার আয়াত – রাফি গতকালকেও একটা ট্রফি জিতেছে। ন্যাশনাল টিমের ক্রিকেটার সে। ছোটবেলা থেকেই খেলার সাথে জড়িত। আগে খেলা ছিল তার নেশা। এখন হয়ে গেছে পেশা। হঠাৎ করেই ইমেইল করলো রাফি। মানসূরের সাথে সর্বশেষ তার দেখা হয়েছে চার মাস আগে। ইদানিংকালে দুজনের সামনা সামনি দেখা হয় না তেমন। রাফি বিভিন্ন টুর্নামেন্ট খেলার জন্য প্রায় দেশের বাহিরে থাকে। মানসূর এবার ইসলামিক বিচার ব্যবস্থার উপর পিএইডি করছে মদীনা ইউনিভার্সিটিতে। কম্পিউটার

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মাহরাম কারা

সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ মাহরাম কারা এ সম্পর্কে বলেন, حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহ কেন মানুষ সৃষ্টি করলেন

আল্লাহ কেন মানুষ সৃষ্টি করলেন – সৃষ্টির আদিতে আল্লাহ ব্যতিত কারো অস্তিত্ব ছিল না। এরপর আল্লাহ মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করলেন। এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর আল্লাহ আসমান-যমীনকে সাজালেন। আলো দান করলেন। গ্রহ নক্ষত্র, গ্যালাক্সি, ব্লাকহোল সৃষ্টি করলেন। তিনি প্রতিটি স্থানকে তার কুদরতী বাক্যের মাধ্যমে সৃষ্টি করেছেন। কুরআনে এই সম্পর্কে বলা হচ্ছে, আল্লাহ বলেন হও। আর তা হয়ে যায়। এটাই আল্লাহর ক্ষমতা। আল্লাহর মহান বার্তা। এরপর আল্লাহ তা’আলা তার আনুগত্যের জন্য

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন

আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন – পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর সময়টা কেমন ছিল, তা জানতে ইচ্ছে হয় আমাদের। বিজ্ঞান আমাদের এই জানতে চাওয়ার কামনা পূরণ করতে বিভিন্ন থিউরি উল্লেখ করে থাকে। একটা কথা চিরসত্য যে, বিজ্ঞান সদা পরিবর্তনশীল। তাই বিজ্ঞানের কোনো কথা কুরআনের বিপরীত হলে একজন মুসলিম কিংবা জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে কুরআনের কথাকেই মূল হিসেবে বিবেচনা করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদীসের বিভিন্ন বর্ণনার দ্বারা আমরা আল্লাহর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায়

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায় – এক ছাত্র একবার শিক্ষকের সাথে দেখা করতে আসলো। বিদায়ের প্রাক্কালে ছাত্র শিক্ষককে বললো, হুজুর আমার জন্য দোয়া করবেন। যেন আমি অমরত্ব লাভ করি। হুজুর কথাটি শুনে অবাক হলেন। প্রশ্নসূরে বললেন, কি বলছো তুমি? অমর কি হওয়া যায়? ছাত্র তখন খানিকটা লজ্জা পেয়ে বললো, সূরা বাকারার ১৫৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, وَ لَا تَقُوۡلُوۡا لِمَنۡ یُّقۡتَلُ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ اَمۡوَاتٌ ؕ بَلۡ اَحۡیَآءٌ وَّ لٰکِنۡ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top