আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
আবু হামজা: ইসরাইল বারবার পরাজিত হয়েছে
আবু হামজা: ইসরাইল বারবার পরাজিত হয়েছে – ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেডের সামরিক মুখপাত্র আবু হামজা ইসরায়েলি বন্দী হানা কাতসির এবং বালক ইয়াগিল ইয়াকুবকে “মানবিক কারণে” মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছেন। আজ (বাংলাদেশ সময়: ৯ নভেম্বর ২৩ রাত ১০টা, রোজ বৃহষ্পতিবার) সন্ধ্যায় একটি ভিডিও বিবৃতিতে মুখপাত্র বলেছেন যে,
সেক্যুলারিজম এর ধর্মীয় স্বাধীনতা
সেক্যুলারিজম এর ধর্মীয় স্বাধীনতা – সেক্যুলার বা সেক্যুলারিজমের খাঁটি বাংলা অর্থ কি, তা অনেক সরলমনা মুসলমানরা না জেনেই সেক্যুলারিজমকে ভালো মনে করে থাকেন। খাঁটি বাংলায় বলতে গেলে সেক্যুলারিজম মানে ধর্মহীনতা। ধর্মকে বাতিল করা। আরো সহজে বললে রাষ্ট্রীয় কাজের সাথে ধর্মকে সম্পৃক্ত না করা। ধর্মকে শুধুমাত্র কিছু রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয়
কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে
কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে – গুম হওয়া বাংলাদেশে এখন একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। যে কেউ যে কোনো মুহুর্তে গুম হয়ে যেতে পারে। নাগরিক ইস্যু যেমন সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি গুম করাটাও সরকারের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস খুবই পিচ্ছিল। এখানে কখনো কেউ ভালো থাকতে পারে না বা দেশকে
কোন দেশগুলো ইহুদি রাষ্ট্র হতো?
কোন দেশগুলো ইহুদি রাষ্ট্র হতো? – বর্তমানে ইহুদিরা যদিও ফিলিস্তিন ভূমিকে তাদের রাষ্ট্র হিসেবে দাবী করে, কিন্তু এটি আদৌ ইহুদিদের বিশ্বাসের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। অস্টো-হাঙ্গেরিয়ান ইহুদি লেখক থিউডোর হার্জেল প্রথম তার বইয়ের মাধ্যমে ইহুদের নিজস্ব রাষ্ট্রের ধারণা প্রচার করে। এরপর একটা সময় এটি বড় বড় ইহুদি ব্যবসায়ী, লেখক, রাজনীতিবিদ, ব্যাংকারদের
দেশে দেশে জঙ্গি নাটক
দেশে দেশে জঙ্গি নাটক – ওয়ার অন টেররের পর বহির্বিশ্বে জঙ্গিবাদের নাটক যতটা করা হয়েছে, তার চেয়েও শত গুণ বেশি করা হয়েছে বাংলাদেশে, আলজেরিয়ায়, তিউনিশিয়ায়, কাজাখিস্তানে। এই দেশগুলোর সরকার প্রধানরা সর্বদা ছিল পশ্চিমা ও পার্শ্ববর্তী শক্তিশালী রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট এবং নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী। তারা নিজেদের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে যাকে তাকে
পরিবার ভাবনা
পরিবার ভাবনা – একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে বালেগ হওয়ার পর থেকেই পৃথিবীকে নতুনভাবে জানতে শিখে। নতুনভাবে সে অবলোকন করে পৃথিবীর হাল-হাকীকত। সে তখন পৃথিবীর নিয়মতান্ত্রিক উপক্রমা ও পরিবারতন্ত্র সম্পর্কে জানতে পারে। অজানা এক মোহে সে আকৃষ্ট হয়। একটি প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে অন্য একটি মেয়ের প্রতি এবং একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়ে অন্য
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
শাহবাগ বাইনারি
শাপলা-শাহবাগ বাইনারি বাংলাদেশে বহু আগ থেকেই সমস্যা। এটির সূচনা ১৩ সালেই নয়। ১৭৫৭ সাল থেকেই। ইংরেজরা বাংলা অঞ্চল দখল করে ১৭৫৭ সালে। এই অঞ্চলের মানুষ ইংরেজদের মেনে নেয় নি। তাই বলে কি ইংরেজরা ছেড়ে দিয়েছিল জনগণকে? না। তারা নির্যাতন চালিয়েছে। নিপীড়ন করেছে। মানুষের জায়গা, সম্পদ, পরিবার কেড়ে নিয়েছে। বাংলার উৎপাদনকে তারা ধ্বংস করেছে। এই সময়ে ইংরেজদের সামনে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। ‘দেশীয় বিরোধী শক্তি’। এটিকে দমানোর জন্য ইংরেজরা তাদের
আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন
আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে। সে তার দলে পারসিকদের টানতে সক্ষম হয়। যে পারসিকরা ছিল মুসলমানদের চরম শত্রু। তার কাছে পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশসমূহকে শিয়া মতবাদ প্রচারের
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা – ইংরেজ ও পশ্চিমাদের একটা বিখ্যাত থিউরি আছে, ডিভাইড এন্ড রুলস। তথা ভাগ করো এবং শাসন করো। এখানে শাসন করা মানে অনেক কিছুই হতে পারে। রাজ্য শাসন করা, দেশ শাসন করা, মন-মস্তিষ্ক শাসন করা, অনুভূতি শাসন করা ইত্যাদি। প্রথম দুইটি উদাহরণ যতটা সহজে বুঝা যায়, শেষ দুইটি উদাহরণ বুঝতে ততটাই বেগ পেতে হবে। একটু অন্যদিক থেকে আসি। ইংরেজদের শাসনামলে বাংলায় অনেক জমিদার ছিল। তাদের বেশিরভাগ
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর
নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর – সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহ নারীদের দুর্বল প্রকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তাই কখনো কখনো ইচ্ছায় আবার কখনো অনিচ্ছায় তারা পুরুষদেরকে ফিতনার মধ্যে ফেলে দেন। নারীর ফাঁদ ও শয়তানের ফাঁদের মধ্যে নারীঘটিত ফাঁদকেই কুরআন বড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাধারণত নারীরা বাহ্যিকভাবে কোমল, নাজুক ও অবলা হয়ে থাকে। এর ফলে তাদের কথা ও অঙ্গভঙ্গিমায় দ্রুত পুরুষরা তাদের বিশ্বাস করে ফেলে। কিন্তু অভ্যাসের কারণে সেটি তাদের ছলনা হিসেবেই ধরা যায়।
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা কে ছিল?
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা – মুসলিম উম্মাহর মাঝে সর্বপ্রথম ভুল আকিদা ও বিতর্কিত মতাদর্শের বীজ রোপণ করে একজন ইহুদী। যাকে ইতিহাসের পাতায় আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ছিল ইহুদী বংশের একজন ব্যক্তি। নিজের সুবিধার জন্য সে মুসলিম বলে পরিচয় দিত জনগণের সামনে। তার উঠাবসা ছিল সে সময়ের পাপিষ্ঠ ও মুনাফিক ব্যক্তিদের সাথে। আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা সর্বদা ইসলাম ও মুসলামাদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করায় লিপ্ত থাকতো। সময়টি
সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প থাকছে
এনসিটিবি কর্তৃক জানানো হয়, নতুন কারিক্যুলামে সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প নামক সমকামিতা প্রচারকারী গল্পটি থাকছে। গত বছর থেকেই এই গল্পটি ও আরো কিছু লেখা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষিত মানুষেরা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ ও আলেমরা। বাদ যাচ্ছে শরীফার গল্প। এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হয় ১৭ মে ২০২৪ তারিখে। দেখুন নিচের বাটনগুলোতে। আমাদের মূল লেখাটিও রাখা হলো তাদের কর্মকাণ্ড বুঝার সুবিধার্থে কিন্তু তারা কারো কথা না শুনে একগুঁয়েমি করে
আহনাফ বিন কায়েস – আমার কথাও কুরআনে আছে!
আহনাফ বিন কায়েস নামক একজন আরব সর্দারের কথা বলছি। তিনি ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা। তার সাহস ও শৌর্য ছিলো অপরিসীম। তার তলোয়ারে ছিলো লক্ষ যোদ্ধার জোর। ইসলাম গ্রহণ করার পর আল্লাহর নবী (সাঃ)-কে দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি, তবে নবীর বহু সাথীকেই তিনি দেখেছেন। এদের মধ্যে হযরত আলীর (রাঃ) প্রতি তার শ্রদ্ধা ছিলো অপরিসীম। একদিন তার সামনে এক ব্যক্তি কোরআনের এই আয়াতটি পড়লেন, لَقَدۡ اَنۡزَلۡنَاۤ اِلَیۡکُمۡ کِتٰبًا فِیۡهِ ذِکۡرُکُمۡ ؕ اَفَلَا
সুরা নিসার আলোকে এতিমের অধিকার
এতিমের অধিকার – হঠাৎ করেই টেবিলের উপরে থাকা মোবাইলটি বেজে উঠলো। স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখলাম, আবিরের ফোন নম্বর এটি। রিসিপ করতেই ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে উঠলো। “ভাইজান, আমার এহন কি হইবো? আমার পিচ্চি পোলাডার কি হইবো” বলে আবিরের স্ত্রী কাঁদতে লাগলো। আমি খানিকটা সান্তনা দিয়ে বললাম, কি হয়েছে? আবিরের কি শরীর খারাপ? আবিরের স্ত্রী আয়েশা বললো, না ভাইজান। আবির আজকে সকালে মারা গেছে। বলেই তিনি ফুঁফিয়ে কেঁদে উঠলেন। খানিকটা শক
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায় – সেদিনও সিগারেট ধরিয়ে গ্রামে নদীর কোণে বসে আনমনে ভাবছি। আর মাত্র কিছুদিন পরেই তাহলে বিয়েটা হয়ে যাচ্ছে। ভাবতেই কেমন যেন একটা খুশি খুশি ভাব চলে আসলো। মাথায় তেমন কোনো আইডিয়া নেই। তাই কিভাবে কি করবো, তাও জানি না। কবে এবং কোথা থেকে আমার জীবনে নতুন স্বপ্ন বোনা শুরু করেছিলাম, তা ঠিক ঠাওর করতে পারছি না। হঠাৎ একদিন বরাবরের মতো সেদিন ও আমাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি – আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম। আর শাসনব্যবস্থা চলবে আল্লাহর আদেশে এবং নবীজি ﷺ এর অনুসরণে, অনুকরণে। মক্কায় ১৩ বছর আল্লাহর রাসুল মুহাম্মাদ ﷺ দাওয়াতের মাধ্যমে ইসলামকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ১০ বছর মদিনায় থাকাকালীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে-ই রাষ্ট্র ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর এবং ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র। আল্লাহ সরাসরি আয়াত নাজিল করে বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রের নীতিমালা ঠিক করে দিয়েছেন। নবীজি ﷺ এর মৃত্যুর পর সাহাবায়ে
দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা
দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীকে বলেছেন, মানুষকে একত্ববাদের দিকে ডাক। এরপর নওমুসলিম সাহাবারাও এই কাজ করেছেন। সূরা আলে ইমরানের ১১০ নং আয়াত کُنۡتُمۡ خَیۡرَ اُمَّۃٍ اُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ تَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اٰمَنَ اَهۡلُ الۡکِتٰبِ لَکَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ مِنۡهُمُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ وَ اَکۡثَرُهُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ
শাম সম্পর্কে হাদিস
শাম সম্পর্কে হাদিস সমূহ – শাম অঞ্চল। হাদীসের ভাষায় বিলাদুশ শাম। বর্তমান সিরিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন, লেবানন, সাইপ্রাস ও তুরষ্কের কিছু অঞ্চল (হাতাই প্রদেশ ও আরো কিছু এলাকা) নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল। শামের ফজিলত এবং গঠন-প্রকৃতি নিয়ে নবীজি হাদীসে অসংখ্যবার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আখিরুজ্জামানের সাথে ওৎপ্রতভাবে জড়িত এই ভূমি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় শাম আল্লাহর ভূমির মধ্যে উত্তম ভূমি (সুনানে আবু দাউদ। হাদীস নং ২৪৮৩) হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই